ঢাকা, সোমবার, ১০ই মাঘ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জানুয়ারি, ২০১৭ ইং, ২৪শে রবিউস-সানি, ১৪৩৮ হিজরী
bartabazar viber

গ্রামীণ ব্যাংককে মূল ধারায় ফিরিয়ে আনা হবে: অর্থমন্ত্রী
বার্তা বাজার ডেস্ক | প্রকাশিত: অপরাহ্ণ ২:৩৩ , জানুয়ারি ১, ২০১৭

সরকার গ্রামীণ ব্যাংককে পুনরুজ্জীবিত করে ব্যাংকিং সিস্টেমের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে চায়  বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের নামে চলা মামলাগুলোর যেন দ্রুত নিষ্পত্তি হয় সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

রবিবার অর্থমন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেই তখন গ্রামীণ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ৪০ শতাংশ। এখন এই হার ৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সহনীয়।’

এ সময় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এ‌ সময় মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে দুটি কেক কাটেন অর্থমন্ত্রী। ‌

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, ‌‌‌‌‌‌‌‌‘যখন গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখন দুটি উদ্দেশ্য ছিলো।  একটি হলো ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে ঋণ দেওয়া এবং তাদেরকে ঋণ ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এখন এটি শতভাগ সফল। মানুষ ঋণ নেয় এবং তা ফেরতও দেয়। তাই গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনার ক্ষেত্রে আমি নতুন করে ভূমিকা সৃষ্টি করতে চাই।’

নতুন বছর কেমন যাবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত বছরের মতো নতুন বছরও ভালো যাবে। তবে নতুন বছরে আমাদের চ্যালেঞ্জ বিনিয়োগ বাড়ানো। এ বছরে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাসহ সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া একই গতিতে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে জটিল কিছু দেখছি না।’

বছর শেষ ও নতুন বছর উদযাপন করতে না পারার হতাশা প্রকাশ করে মুহিত বলেন,‘আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা ইয়ার এন্ডিং উদযাপন করতে পারি না। গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে মনে হয়েছে শহর যেন মৃত। মানুষ ঘরে চলে গেছে। গাড়ি ঘোড়া চলছে না। নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু সেটিকে কাটিয়ে উঠে আমরা যদি সফলভাবে বছর উদযাপন করতে পারতাম তবে ভালো হতো।’

নতুন বই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বইয়ের গন্ধই আলাদা, উফ! অসাধারণ। কোমলমতি শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার পর ওদের যে আনন্দ উচ্ছ্বাস তা টাকা দিয়ে কেনা যাবে না। আমি আজ সকালে বই বিতরণ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানেই আমার এই উপলব্ধি। প্রথমদিকে এই কর্মসূচি বাস্তাবায়নে আমি একটু গড়িমসি করছিলাম। কোথায় টাকা পাবো? আমাদের কি সেই সামর্থ্য আছে? তবে এখন আমাদের সামর্থ্য বেড়েছে। আমি শিক্ষামন্ত্রীকে বলেছি, আরও সুন্দরভাবে এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার জন্য।’

বার্তা বাজার.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।